Main Sliders

2/shanto/slider-tag
বিখ্যাত ব্যত্তির  অমর বানী

বিখ্যাত ব্যত্তির অমর বানী

 A g i ev bx

  • 1.    mvgvb¨ e¨q †_‡K mveavb| †QvU wQ`ª weivU RvnvR‡K Wzwe‡q †`q| -†eÄvwgb d«vsKwjb
  • 2.   Av‡qi Av‡M KL‡bv e¨q Ki‡eb bv| -Ugvm †Rdvimb
  • 3.  mgq‡K Aek¨B nvwZqvi wnmv‡e e¨envi Ki‡Z n‡e,kh¨v wn‡m‡e bq| -Rb Gd †K‡bwW
  • 4.    ev”Qv‡`i mv‡_ mgq e¨q Zv‡`i Rb¨ A_© e¨‡qi †P‡q ¸iæZ¡cyY©| -A¨vš’wb wW DBwjqvgm
  • 5.  wb›`v Ki‡Z †M‡j evB‡i †_‡K Kiv hvq, wKš‘ wePvi Ki‡Z †M‡j wfZi †_‡K Ki‡Z nq| -iex›`ªbv_ VvKzi
  • 6.  b¨v‡qi †P‡q ÿgZvevb †Kvb kw³ †bB| -‡b‡cvwjqvb
  • 7.    wb‡Ri eywׇZ †h KvR K‡i, †m fyj K‡i ‡ewk| wKš‘ Avb›` cvq cÖPzi |  -RR© †iv|
  • 8.  hviv ü`q w`‡q KvR Ki‡Z cv‡i bv, Zv‡`i AR©b AvšÍtmvik~b¨| - G wc †R Avãyj Kvjvg|
  • 9.  mr civg‡k©I †P‡q †Kvb Dcnvi AwaK gyj¨evb bq| -Ggvimb |
  • 10.     cªksmv Avgv‡K jw¾Z K‡i, wKšÍy ‡Mvc‡b Avwg cÖmsmvi Rb¨ cÖv_©bv Kwi | - iwe›`ªbv_ VvKzi|

সিনিয়র সচিব হয়েছেন মাগুরার কৃতি সন্তান মো. আকরাম-আল-হোসেন

সিনিয়র সচিব হয়েছেন মাগুরার কৃতি সন্তান মো. আকরাম-আল-হোসেন




সিনিয়র সচিব হয়েছেন মাগুরার কৃতি সন্তান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন। রোববার (০৫ জুলাই) তাকে সিনিয়র সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মো. আকরাম- আল-হোসেনকে পদোন্নতি দিয়ে সিনিয়র সচিব করার পর তাকে আগের কর্মস্থল, অর্থাৎ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পদায়ন করা হয়েছে। এই নিয়ে এখন মোট সিনিয়র সচিব হলেন ১৩ জন।

আকরাম-আল-হোসেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভের পর ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারে সহকারী কমিশনার ও ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব ও অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মাগুরা সদর উপজেলার হাজিপুর গ্রামের মরহুম আলতাফ হোসেনের চতুর্থ পুত্র আকরাম আল হোসেন এলাকায় অত্যন্ত সজ্জ্বন মানুষ হিসেবে পরিচিত।


সুত্রঃ মাগুরা বার্তা 
প্রশ্ন || রেজাউল কবির মুন্না ||Deyal Likhon

প্রশ্ন || রেজাউল কবির মুন্না ||Deyal Likhon

প্রশ্ন
রেজাউল কবির মুন্না


মূর্খ আমি গোবেচারি, 
বুদ্ধিহীনও বটে।
হঠাৎ করে কিছু প্রশ্ন, 
এলো আমার ঘটে।
 
অল্প যখন করোনা রুগী, 
আমরা তখন ঘরে।
এখন যখন হাজার পার, 
ঘর থেকে বাহিরে।

এমন যদি করতে চাও, 
আগে কেন বলো নাই ? 
মিছে কেন এতো দিন
করলে ধানাইপানাই। 

মিছে কেন মারামারি 
ধরালে কেন কান ? 
আগে থেকে তুলে দিলে
বেঁচে যেত ত্রাণ।

মিছে মিছি দিতে গেলে
কতোই প্রণোদনা। 
কতো চোর পরলো ধরা
যায় না হাতে গোণা। 

এবার হবে মহামারি 
যাব আবার ঘরে।
সুস্থ ভাবে নয়তো সে
করোনা সঙ্গে করে।

নিরিবিলি ঘরে বসে
সময় কাটানো যায় ? 
অলস সময়ের সাথী হবে
এবার করোনায়।

খুলতে চাও দোকানপাট 
পুরোপুরি খোল।
জীবন মরণ সন্ধিক্ষণে 
মানুষ এবার ঝোল।

হাতের পাঁচ (শেষ সম্বল)

হাতের পাঁচ (শেষ সম্বল)

হাতের পাঁচ (শেষ সম্বল)
-------------------------------
মোঃ আকরাম হোসেন


প্রতিটি রাত যেন
এক একটি গভীর ক্ষত, 
তবু আমি জেগে জেগে 
উনুনের তাপ দেই
লবন ছিটাই সেই ক্ষতে।

সেই ক্ষত থেকে
অঝোরে ঝরে পড়ে রক্ত,
বুকের কাছাকাছি।
ঝরতে ঝরতে নাভিমূল থেকে 
পায়ের কাছাকাছি বৃদ্ধাঙ্গুলি অব্দি
রক্তে ভিজে যায় শরীর,
তারপর জমিন, 
জমিনের ভিতরের জল
বৃক্ষের বাঁচার নির্যাস।

অতঃপর শেষ, 
সবকিছু নিমিষেই!!
পড়ে থাকে শুধু নিথর দেহ।
মোঃ আকরাম হোসেন  
হারাধনের দশটি ছেলে

হারাধনের দশটি ছেলে

যোগীন্দ্রনাথ সরকারের কবিতা
🔰🔰🔰🔰🔰🔰🔰🔰🔰
হারাধনের দশটি ছেলে
1⃣2⃣3⃣4⃣5⃣6⃣7⃣8⃣9⃣🔟
হারাধনের দশটি ছেলে
ঘোরে পাড়াময়,
একটি কোথা হারিয়ে গেল
রইল বাকি নয়।
হারাধনের নয়টি ছেলে
কাটতে গেল কাঠ,
একটি কেটে দু’খান হল
রইল বাকি আট।
হারাধনের আটটি ছেলে
বসলো খেতে ভাত,
একটির পেট ফেটে গেল
রইল বাকি সাত।
হারাধনের সাতটি ছেলে
গেল জলাশয়,
একটি সেথা ডুবে ম’ল
রইল বাকি ছয়।
হারাধনের ছয়টি ছেলে
চ’ড়তে গেল গাছ,
একটি ম’ল পিছলে পড়ে
রইল বাকি পাঁচ।
হারাধনের পাঁচটি ছেলে
গেল বনের ধার,
একটি গেল বাঘের পেটে
রইল বাকি চার।
হারাধনের চারটি ছেলে
নাচে ধিন ধিন,
একটি ম’ল আছাড় খেয়ে
রইল বাকি তিন।
হারাধনের তিনটি ছেলে
ধরতে গেল রুই,
একটি খেলো বোয়াল মাছে
রইল বাকি দুই।
হারাধনের দুইটি ছেলে
মারতে গেল ভেক,
একটি ম’ল সাপের বিষে
রইল বাকি এক।
হারাধনের একটি ছেলে
কাঁদে ভেউ ভেউ,
মনের দুঃখে বনে গেল
রইল না আর কেউ।

খাই খাই - সুকুমার রায়ের ছড়া

খাই খাই - সুকুমার রায়ের ছড়া

💚💚💚সুকুমার রায়ের ছড়া💚💚💚
🔋🔋🔋🔋🔋🔋🔋🔋🔋🔋🔋🔋🔋🔋

খাই খাই________

খাই খাই করো কেন, এসো বসো আহারে—
খাওয়াব আজব খাওয়া, ভোজ কয় যাহারে।
যত কিছু খাওয়া লেখে বাঙালির ভাষাতে,
জড় করে আনি সব— থাক সেই আশাতে।
ডাল ভাত তরকারি ফল-মূল শস্য,
আমিষ ও নিরামিষ, চর্ব্য ও চোষ্য,
রুটি লুচি, ভাজাভুজি, টক ঝাল মিষ্টি,
ময়রা ও পাচকের যত কিছু সৃষ্টি,
আর যাহা খায় লোকে স্বদেশে ও বিদেশে—
খুঁজে পেতে আনি খেতে— নয় বড়ো সিধে সে!
জল খায়, দুধ খায়, খায় যত পানীয়,
জ্যাঠাছেলে বিড়ি খায়, কান ধরে টানিয়ো।
ফল বিনা চিঁড়ে দৈ, ফলাহার হয় তা,
জলযোগে জল খাওয়া শুধু জল নয় তা।

ব্যাঙ খায় ফরাসিরা (খেতে নয় মন্দ),
বার্মার ‘ঙাপ্পি’তে বাপ্ রে কি গন্ধ!
মান্দ্রাজী ঝাল খেলে জ্বলে যায় কণ্ঠ,
জাপানেতে খায় নাকি ফড়িঙের ঘণ্ট!
আরশুলা মুখে দিয়ে সুখে খায় চীনারা,
কত কি যে খায় লোকে নাহি তার কিনারা।
দেখে শুনে চেয়ে খাও, যেটা চায় রসনা;
তা না হলে কলা খাও— চটো কেন? বসো না—
সবে হল খাওয়া শুরু, শোনো শোনো আরো খায়—
সুদ খায় মহাজনে, ঘুষ খায় দারোগায়।
বাবু যান হাওয়া খেতে চড়ে জুড়ি-গাড়িতে,
খাসা দেখ ‘খাপ্ খায়’ চাপ্‌কানে দাড়িতে।
তেলে জলে ‘মিশ খায়’, শুনেছ তা কেও কি?
যুদ্ধে যে গুলি খায় গুলিখোর সেও কি?
ডিঙি চড়ে স্রোতে প’ড়ে পাক খায় জেলেরা,
ভয় পেয়ে খাবি খায় পাঠশালে ছেলেরা;
বেত খেয়ে কাঁদে কেউ, কেউ শুধু গালি খায়,
কেউ খায় থতমত— তাও লিখি তালিকায়।
ভিখারিটা তাড়া খায়, ভিখ্ নাহি পায় রে—
‘দিন আনে দিন খায়’ কত লোক হায় রে।
হোঁচটের চোট্ খেয়ে খোকা ধরে কান্না
মা বলেন চুমু খেয়ে, ‘সেরে গেছে, আর না।’
ধমক বকুনি খেয়ে নয় যারা বাধ্য
কিলচড় লাথি ঘুঁষি হয় তার খাদ্য।
জুতো খায় গুঁতো খায়, চাবুক যে খায় রে,
তবু যদি নুন খায় সেও গুণ গায় রে।
গরমে বাতাস খাই, শীতে খাই হিম্‌সিম্,
পিছলে আছাড় খেয়ে মাথা করে ঝিম্‌ঝিম্।

কত যে মোচড় খায় বেহালার কানটা,
কানমলা খেলে তবে খোলে তার গানটা।
টোল খায় ঘটি বাটি, দোল খায় খোকারা,
ঘাব্‌ড়িয়ে ঘোল খায় পদে পদে বোকারা।
আকাশেতে কাৎ হ’য়ে গোঁৎ খায় ঘুড়িটা,
পালোয়ান খায় দেখ ডিগ্‌বাজি কুড়িটা।
ফুটবলে ঠেলা খাই, ভিড়ে খাই ধাক্কা,
কাশীতে প্রসাদ খেয়ে সাধু হই পাক্কা।
কথা শোনো, মাথা খাও, রোদ্দুরে যেও না—
আর যাহা খাও বাপু বিষমটি খেয়ো না।
‘ফেল্’ ক’রে মুখ খেয়ে কেঁদেছিলে সেবারে,
আদা-নুন খেয়ে লাগো পাশ করো এবারে।
ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ো নাকো; যেয়ো নাকো ভড়্‌কে,
খাওয়াদাওয়া শেষ হলে বসে খাও খড়্‌কে।
এত খেয়ে তবু যদি নাহি ওঠে মনটা—
খাও তবে কচুপোড়া খাও তবে ঘণ্টা।

==========
কবিতাটি খাই খাই বইয়ে প্রকাশিত হয়েছে।
==========

মানুষ মারেনা মানুষ

মানুষ মারেনা মানুষ

Deyal Likhon




মানুষ মারেনা মানুষ
_______________

মসজিদের জানলা বেয়ে আসছে উড়ে কি দ্যাখ
ইয়েমেন না, সিরিয়াও না নয়তো ওটা ইরাক।
উড়ছে ধোঁয়া পুড়ছে কুরআন ,জায়নামাযের জমিনও।
পুড়ছে ইমাম, মুয়াজ্জিন, পরহেজগার মুমিনও।
লাশের বহর রাস্তাজুড়ে, রক্ষা করার ছিল না কেউ
বাবার গায়ে আঘাত ভরা,বাঁচাতে পারিনি মাকেও।

দিল্লি এখন অগ্নিগর্ভ, সরকার তাদের সমর্থক
উগ্রবাদী অমানুষেরা মারছে মানুষ অনর্থক।
হচ্ছে জখম ভিষনভাবে হাত, মাথা,পা, পিঠগুলো
রক্তলালে খেলছে হোলি নর্দমার ঐ কীটগুলো।

আজানের ঐ মিনার জুড়ে, উড়ছে ত্যানার হনুমান
হিন্দু তুমি নও কখনো করতে পারি অনুমান।
হিন্দু ,জৈন, খ্রিষ্ট, শিখ,মুসলিম কিবা বৌদ্ধ
কারো তরেই মানুষ মারা নয়তো ধর্মশুদ্ধ

কবি আল মাহমুদ এর কবিতা

কবি আল মাহমুদ এর কবিতা



   
নোলক


আমার মায়ের সোনার নোলক হারিয়ে গেল শেষে
হেথায় খুঁজি হোথায় খুঁজি সারা বাংলাদেশে।

নদীর কাছে গিয়েছিলাম, আছে তোমার কাছে?
-হাত দিওনা আমার শরীর ভরা বোয়াল মাছে।

বললো কেঁদে তিতাস নদী হরিণবেড়ের বাঁকে
শাদা পালক বকরা যেথায় পাখ ছড়িয়ে থাকে।

জল ছাড়িয়ে দল হারিয়ে গেলাম বনের দিক
সবুজ বনের হরিৎ টিয়ে করে রে ঝিকমিক।

বনের কাছে এই মিনতি, ফিরিয়ে দেবে ভাই,
আমার মায়ের গয়না নিয়ে ঘরকে যেতে চাই।

কোথায় পাবো তোমার মায়ের হারিয়ে যাওয়া ধন
আমরা তো সব পাখপাখালি বনের সাধারণ।

সবুজ চুলে ফুল পিন্দেছি নোলক পরি নাতো!
ফুলের গন্ধ চাও যদি নাও, হাত পাতো হাত পাতো

বলে পাহাড় দেখায় তাহার আহার ভরা বুক
হাজার হরিণ পাতার ফাঁকে বাঁকিয়ে রাখে মুখ।

এলিয়ে খোঁপা রাত্রি এলেন, ফের বাড়ালাম পা
আমার মায়ের গয়না ছাড়া ঘরকে যাবো না।

📖📖📖📖📖📖📖📖📖

Featured Post

আমাদের এই বসুন্ধরা   ( রাজ্যবিহীন যুবরাজ ) আমাদের এই বসুন্ধরাই , মারছে মানুষ মানুষকে। যেমন করে হিংস্র পশু ঝাঁ...